সংবাদদাতা:
চেক প্রতারণা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী
সেলিনা আক্তার ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে রয়েছেন আত্মগোপনে। আসামী মহিলা হওয়ায় সনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে ভোক্তভোগী ও প্রশাসনের। এতে অসহায় হয়ে পড়েছেন মামলার বাদী সাজেদা আক্তার পাখি। মামলার বাদী ওই সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে ধরে দিতে পারলে উপযুক্ত পুরস্কারও ঘোষনা করেছেন।
মামলার বাদী সাজেদা আক্তার পাখি কক্সবাজার জেলা সদরের পৌর এলাকার ১০নং ওয়ার্ডের উত্তর বাহারছড়া (আংশিক), আশরাফ ভিলার দক্ষিণ পাশে, কে.সি.দে. রোড, ১০নং ওয়ার্ডর মোঃ কাশেম এর স্ত্রী, মোক্তার আহমদ ও গোলজার বেগমের মেয়ে। সাজাপ্রাপ্ত আসামী সেলিনা আক্তার কক্সবাজার জেলা সদরের পৌর এলাকার ১০নং ওয়ার্ডের
উত্তর বাহারছড়া (আংশিক), আশরাফ ভিলার উত্তর পাশে, কে.সি.দে. রোড, ১০নং ওয়ার্ডর মোহাম্মদ ওবাইদুল হক এর স্ত্রী, মৃত এজাহার মিয়ার মেয়ে। মামলার বিষয়ে জানা যায়, বাদী এবং আসামী পূর্ব পরিচিত, আত্মীয় এবং পাড়ালিয়া হয়। আসামী সেলিনা তাহার বোনের বাহারছড়ার পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত বাড়ির অংশ ও তদস্থিত জমি ক্রয় করার কথা বলে সাজেদার কাছ থেকে টাকা ধার চাইলে মামলার বাদী (সাজেদা) সরল বিশ্বাসে সেলিনাকে ১২,০০,০০০/- (বার লক্ষ) টাকা ধার সরূপ প্রদান করে এবং নির্ধারিত সময়ে ফেরত দেওয়ার আশ্বাসে সেলিনার নামীয় ইউনাইটেড কমার্সিয়াল ব্যাংক লিঃ Payable at any Branch in Bangladesh এর 00121001109150018 নং সঞ্চয়ী হিসাবের ১টি চেক অধীন বাদীর বরাবরে প্রদান করেন। যাহার চেক নং- 3997578, তারিখ-১৫/১২/২০২০ ইং, টাকার পরিমান- ১২,০০,০০০/-(বার লক্ষ) টাকা। অধীন বাদী উক্ত চেকটি সরল বিশ্বাসে গ্রহণ করিয়া নগদায়নের জন্য গত ১৫/১২/২০২০ ইং তারিখ অধীন বাদীর নামীয় রুপালী ব্যাংক লিঃ, কক্সবাজার শাখার হিসাবের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে উপস্থাপন করিলে বিগত ১৫/১২/২০২০ ইং তারিখ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ Insufficient Fund উল্লেখে চেকটি ডিজঅনার করেন।এই ব্যাপারে বাদী, আসামীর সাথে যোগাযোগ করিলে আসামী নানা কৌশল অবলম্বন করায় সেলিনা বিগত ০৭/০১/২০২১ ইংরেজী তারিখ বিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে রেজিঃ ডাকযোগে আসামীর ঠিকানায় লিগ্যাল নোটিশ পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় আসামীর সহিত অধীন যোগাযোগ করিলে আসামীর পাওনা টাকা প্রদান করিবেন না মর্মে উল্লেখে গত ১৬/০২/২০২১ ইংরেজী তারিখ ঘটনা অস্বীকার করায় আইনে উল্লেখিত মেয়াদের মধ্যে অধীনের পাওনা টাকা প্রদানের কার্যকর প্রদক্ষেপ গ্রহণ না করায় টাকাগুলি নিয়ে ফেরত না দিয়ে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল । মামলায় সাজা হওয়ার পর আসামী সেলিনা আক্তার আত্মগোপনে চলে যায়। এ বিষয়ে মামলার বাদি সাজেদা আক্তার পাখি জানান মামলার আসামি সেলিনা আক্তার তার সাথে প্রতারণা করে সরল বিশ্বাসে টাকাগুলি নিয়ে আর ফেরত দেয়নি। সাজেদা নিরুপায় হয়ে আদালতে মামলা করে। মামলায় আসামী সেলিনাকে ১২,৫০,০০০/- টাকা পরিশোধ করতে বলেন এবং এক বছরের সাজা প্রধান করেন। তিনি এ বিষয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন এবং কোন ব্যক্তি সেলিনাকে দেখিয়ে দিলে উপযুক্ত পুরস্কারও ঘোষনা করেন।
চেক প্রতারণা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি সেলিনার সন্ধান দিতে পুরস্কার ঘোষণা
পড়া যাবে: [rt_reading_time] মিনিটে
